কেউ কি শুনেছে নাম ‘হোসায়নী ব্রাহ্মণ’! কেউ কি জেনেছে তার কথা? কেবল যে তোমরা তোমাদের ভেতরেই কামড়ে মরছো ও মুসলমানের দল! কেবল ব্রতপালন হলে, মাতম হলে, দিওয়ানা হাল হলে ‘শিয়া’ বলে পাশ কেটে যাও, যেন আহলে বায়েত শিয়াদের সম্পত্তি, তোমাদের নয়। সুদীর্ঘকাল ধরে মসজিদে মসজিদে ইমাম হাসান-হোসেন-ফাতেমা-আলীর নামে অভিশাপ বর্ষন হতো, ইসলামের ইতিহাস সাক্ষী তার। কোন সুদিনের অপেক্ষায় পথভ্রষ্ট তোমরা ইমামত ও গুরুবাদকে ছুঁড়ে ফেলে রাজতন্ত্র ও অংশীবাদকে বরণ করেছো? কে সুন্নী আর কে শিয়া তা ইসলামের বিচার্য্য নয়, কে ইমামত ও আহলে বায়েতকে ধারণ করেছে তাই মুখ্য। ও মন, বালির সমুদ্রে ঝাড়ু লাগাচ্ছো রোজ? দেখো মহাপ্লাবনের জোয়ারে বালিসমুদ্রে তরঙ্গ তুলে জলের পাহাড় বলছে, আমরা হোসায়নী ব্রাহ্মণ.....
রাহাব দত্ত, ৬৮০ সালে কারবালায় ইমাম হুসায়নের পক্ষে এজিদের বিরুদ্ধে লড়েছেন এবং হারিয়েছেন তার ৭ জোয়ান ছেলেকে। রাহাব ফিরে এসেছিলেন ভারত। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার ভারতীয় হোসায়নী ব্রাহ্মণ সিলসিলার। আজও তারা বহাল আছেন। পাঞ্জাবের ছোট্ট এই সম্প্রদায় বহুপ্রাচীন ব্রাহ্মণ পরম্পরার সন্তান। তারা মহররমে তাই গেয়ে ওঠেন... মেরে মওলা আলী... করম হো করম মেরে মওলা করম...
No comments:
Post a Comment